Course Content
দ্বিতীয় অধ্যায়: পদার্থের অবস্থা (States of Matter)
এই অধ্যায়ের শেষে, ছাত্রছাত্রীরা কণার গতিতত্ত্বের মূল সিদ্ধান্তগুলির সাহায্যে পদার্থের ভৌত অবস্থাগুলি ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হবেন। তারা এছাড়া তাপমাত্রা পরিবর্তনের ফলে ব্যাপন এবং সংক্ষিপ্তনের ধারণা, সলিড এবং লিকুইড পদার্থে অবস্থানের পরিবর্তন সহ বুঝতে পারবেন। এছাড়া, তারা রাসায়নিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাস্তব জীবনের রাসায়নিক ঘটনা বিশ্লেষণ করতে এবং থার্মোমিটার প্রস্তাবনা করতে শেখবেন।
0/4
তৃতীয় অধ্যায় : পদার্থের গঠন (Atomic Structure)
আমাদের চারপাশের যে জিনিসগুলো স্থান দখল করে, যাদের ভর আছে, আয়তন আছে এবং বল প্রয়োগ করলে কিছু না কিছু বাধা প্রদান করে, সেগুলোকে আমরা পদার্থ বলি। এই পদার্থগুলো অতিশয় ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র অসংখ্য কণা দিয়ে গঠিত। এই কণাগুলো এতটাই ক্ষুদ্র যে অতি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অণুবীক্ষণ যন্ত্র দ্বারাও এগুলোকে দেখা যায় না। যে পদার্থগুলো একই ধরনের মৌলিক কণা নিয়ে গঠিত তারা হল মৌলিক পদার্থ এবং মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা হলো পরমাণু। আবার যে পদার্থগুলো একাধিক মৌলিক কণা নিয়ে গঠিত তারা হলো যৌগিক পদার্থ এবং যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা হলো অণু। প্রতিটি পদার্থ নিজস্ব বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পরমাণু দিয়ে গঠিত। পরমাণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন নামক মুল কণিকা দিয়ে গঠিত। এই ইউনিটে পদার্থের গঠন সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।
0/8
চতুর্থ অধ্যায় : পর্যায় সারণি (Periodic Table)
0/5
পঞ্চম অধ্যায় : রাসায়নিক বন্ধন (Chemical Bonding)
0/10
ষষ্ঠ অধ্যায় : মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা (Mole Concept and Chemical Calculations)
0/8
সপ্তম অধ্যায় : রাসায়নিক বিক্রিয়া (Chemical Reactions)
0/10
অষ্টম অধ্যায় : রসায়ন ও শক্তি (Chemistry and Energy)
0/11
নবম অধ্যায় : অম্ল, ক্ষার, ও লবণের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Acids, Bases, and Salts)
0/13
দশম অধ্যায় : খনিজ সম্পদ: ধাতু-অধাতু” (Mineral Resources: Metals and Non-Metals)
0/11
একাদশ অধ্যায় : খনিজ সম্পদ: জীবাশ্ম (Mineral Resources: Biogas.)
0/13
সমগ্র রসায়ন SSC Online
About Lesson

মৌলিক কণিকা | Elementary particles

মৌলিক কণিকা:

যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত, তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলে। 

  • পরমাণুতে ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন নামে তিন ধরণের মৌলিক কণিকা আছে।
  • ইলেকট্রন হচ্ছে পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা। ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন জেজেথমসন। এর ভর  9.11×10−28�। প্রোটন হচ্ছে একটি হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন সরিয়ে নিলে যা থাকে। আনেস্ট রাদারফোর্ড প্রোটন আবিষ্কার করেন। এর ভর 1.673×10−24�
  • নিউট্রন আধান নিরপেক্ষ। জেমস চ্যাডউইক ১৯৩২ সালে পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মবিশিষ্ট কণা নিউট্রন আবিষ্কার করেন। নিউট্রনের ভর 1.675×10−24�। 
  • পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে পরিভ্রমণ করে।
  • পরমাণুর বহিঃস্থ কক্ষপথ থেকে ইলেকট্রন বের করে আনা যায় এবং বাহির হতে পরমাণুর বহিঃস্থ কক্ষপথে অতিরিক্ত ইলেকট্রন যোগও করা যায়। আনা বা যোগ করা হলে আর বিদ্যুৎ নিরপেক্ষ পরমাণু থাকে না, তখন আধানযুক্ত আয়নের সৃষ্টি হয়। 
  • পরমাণুতে ইলেকট্রনগুলো যেভাবে সজ্জিত বা বিন্যস্ত থাকে তাকে ঐ পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস বলে। পরমাণুর প্রতিটি শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রনের সংখ্যা 2�2। প্রথম শক্তিস্তরে (n=1) সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা =2�2=2×12=2
  • নিউক্লিয়াসে অবস্থিত প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যাকে একটি পরমাণুর ভর সংখ্যা বলা হয়, একে নিউক্লিয়ন সংখ্যাও বলা হয় । ভর সংখ্যাকে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়। প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা Z এবং নিউট্রন সংখ্যা N হলে, পরমাণুর ভর সংখ্যা A = Z + N যেমন: সোডিয়ামের একটি পরমাণুতে প্রোটন আছে ১১টি, নিউট্রন আছে ১২টি ।সুতরাং সোডিয়ামের এই পরমাণুর ভর সংখ্যা ১১+১২= ২৩।
  • পারমাণবিক ভর আবিষ্কার করেন জন ডাল্টন এবং হেনরি মোসলে ১৯১৩ সালে পারমাণবিক সংখ্যা আবিষ্কার করেন। 
  • কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা
মৌল পারমাণবিক সংখ্যা ভর সংখ্যা 
হাইড্রোজেন
হিলিয়াম
কার্বন ১২
সোডিয়াম ১১ ২৩
ম্যাগনেসিয়াম ১২ ২৪
সিলিকন ১৪ ২৮
ক্যালসিয়াম ২০ ৪০
আর্সেনিক ৩৩ ৭৫
পারদ ৮০ ২০১
ইউরেনিয়াম ৯২ ২৩৮

যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়। যেমন: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ হলোপ্রোটিয়াম(11�), ডিউটেরিয়াম (11�এবং ট্রিটিয়াম (13�)