মনে করুন, শিক্ষক শ্রুতলিপি দিচ্ছেন। আপনি লিখছেন। শিক্ষকের কথা বাতাসে শব্দ তরঙ্গের সৃষ্টি করে। এ শব্দ
তরঙ্গ ছাত্রের কানের পর্দায় উদ্দীপনা জাগায় যা শ্রবণ অঙ্গের মাধ্যমে মস্তিষ্কের শ্রবণ কেন্দ্রে পৌঁছায়। সেখান
থেকে উদ্দীপনা বা তাড়না আপনার স্মৃতিকেন্দ্র চিন্তাকেন্দ্র প্রভৃতি হয়ে মোটর স্নায়ু যোগে আপনার ঐচ্ছিক পেশিতে
পৌঁছায়।
পেশির নির্দেশে সাড়া দিয়ে আপনি হাত দিয়ে লিখতে শুরুকরেন। অনুভূতিবাহী স্নায়ু উত্তেজিত হলে সে উত্তেজনা মস্তিষ্কের
দিকে অগ্রসর হয়ে যন্ত্রণাবোধ, স্পর্শ জ্ঞান, শ্রবণ জ্ঞান, দৃষ্টি জ্ঞান প্রভৃতি অনুভূতি উপলব্ধি করায়। পরস্পর সংযুক্ত অসংখ্য
নিউরনের কার্যকারিতার ফলে উদ্দীপনা গ্রাহক কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় অঙ্গগুলোতে তরঙ্গাকারে সঞ্চালিত হয়ে মস্তিষ্কে
পৌঁছে। এ প্রক্রিয়াকে আবেগ সঞ্চালন বলে। প্রতি সেকেন্ডে এর বেগ প্রায় ১০০ মিটার।
প্রথম অধ্যায়: জীবনের পাঠ (Introduction to Life)
0/4
দ্বিতীয় অধ্যায়: জীবকোষ ও টিস্যু (Cell and Tissue)
0/7
তৃতীয় অধ্যায়: কোষ বিভাজন (Cell Division)
0/7
চতুর্থ অধ্যায়: জীবনীশক্তি (Bioenergetics)
0/6
পঞ্চম অধ্যায়: খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক (Food, Nutrition, and Digestion)
0/17
ষষ্ঠ অধ্যায় : জীবে পরিবহণ (Transport in Living Organisms)
0/21
সপ্তম অধ্যায় : গ্যাসীয় বিনিময়
0/12
অষ্টম অধ্যায় : রেচন প্রক্রিয়া
0/12
নবম অধ্যায় : দৃঢ়তা প্রদান ও চলন
0/8
দশম অধ্যায় : সমন্বয়
0/13
একাদশ অধ্যায় : জীবের প্রজনন
0/10
দ্বাদশ অধ্যায় : জীবের বংশগতি ও বিবর্তন
0/11
ত্রয়োদশ অধ্যায়: জীবের পরিবেশ
0/10
চতুর্দশ অধ্যায় :জীবপ্রযুক্তি (Biotechnology)
0/6
About Lesson