প্রসঙ্গ কাঠামো গতি বিষয়ে সঠিক বিবৃতি! সাধারণত প্রসঙ্গ কাঠামো বিষয়ে আমরা প্রথমেই দুটি অক্ষ (X এবং Y) ধরে কথা বলি, এবং এই ব্যবস্থা সরল গতির জন্য ব্যবহৃত হয়। দ্বিমাত্রিক প্রসঙ্গ কাঠামোতে আমরা তিনটি অক্ষ (X, Y, এবং Z) ব্যবহার করি, যা প্রস্থ বা ত্রিমাত্রিক গতির বিবৃতি করার জন্য প্রয়োজন। সব বিভিন্ন প্রসঙ্গ কাঠামোতে বস্তুর গতি এবং অবস্থান বিবৃতি বিভিন্ন হতে পারে, যেমন সমতলীয় গতি, স্থানিক গতি এবং ত্রিমাত্রিক গতি। ধরুন, আপনি একটি সমতপ্রান্ত গতিতে মুভি করছেন, তবে ত্রিমাত্রিক গতির উদাহরণ দিতে গেলে একটি উড়ন্ত মাছির গতি উল্লেখ করা সময়ে বিভিন্ন হবে। প্রসঙ্গ কাঠামোর প্রয়োজন মূলত গতি এবং অবস্থার উপর ভিত্তি করে, এবং এটি আমাদেরকে অনুমান করার সুযোগ দেয় যে কোনও বস্তু কীভাবে পরিবেশে সাপেক্ষে পরিভ্রমণ করে।
Contextual framework on motion is explained correctly! Generally, in the context of motion, we first talk about two axes (X and Y), and this arrangement is used for linear motion. In the two-dimensional framework, we use three axes (X, Y, and Z) necessary for describing plane or three-dimensional motion. The values of motion and position may vary in different contextual frameworks, such as linear motion, translational motion, and three-dimensional motion. For example, if you’re moving in a plane, but when mentioning an example of three-dimensional motion, it may differ, like that of a flying insect. The need for contextual framework primarily depends on motion and position, providing us the opportunity to estimate how an object travels in relation to its environment.
করে দেখো তোমার পড়ার টেবিলের উপর একটি বই রাখো। মনে কর, তুমি এর একটি কোণার অবস্থান নির্দেশ করতে চাও। এখন তুমি তোমার টেবিলকে একটি প্রসঙ্গ কাঠামো এবং এর একটি কোণাকে মূল বিন্দু ধরে একটি দ্বিমাত্রিক প্রসঙ্গ কাঠামো বিবেচনা করতে পারো। আবার, তোমার ঘরের একটি কোণাকে মূল বিন্দু গণ্য করে আরেকটি প্রসঙ্গ কাঠামো ধরতে পারো। এখন এ দুই প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে বই-এর কোণার স্থানাঙ্ক বের কর। |
স্থানাঙ্কগুলোর মান ভিন্ন হওয়ার কারণ প্রসঙ্গ কাঠামো ভিন্ন। তুমি যদি অন্য কোনো প্রসঙ্গ কাঠামো বিবেচনা করতে তাহলে অন্য মান পেতে ।
৩.২। জড় এবং অজড় প্রসঙ্গ কাঠামো
Inertial and noninterial Reference Frame
জড় প্রসঙ্গ কাঠামোকে গ্যালিলীয় প্রসঙ্গ কাঠামো বা নিউটনীয় প্রসঙ্গ কাঠামোও বলা হয়। এ প্রসঙ্গ কাঠামোতে নিউটনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় গতিসূত্র খুব ভালো খাটে । একে অন্য কথায় এভাবে বলা যায়, জড় প্রসঙ্গ কাঠামো হলো সে প্রসঙ্গ কাঠামো যার মধ্যে নিউটনের গতিসূত্র অর্জন করা যায়। এরা পরস্পরের সাপেক্ষে ধ্রুব বেগে গতিশীল।
সংজ্ঞা : পরস্পরের সাপেক্ষে ধ্রুব বেগে গতিশীল যে সব প্রসঙ্গ কাঠামোতে নিউটনের গতিসূত্র অর্জন করা যায় তাদেরকে জড় প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।
চিত্র ৩.১-এ জড় প্রসঙ্গ কাঠামো দেখানো হয়েছে।
অজড় প্রসঙ্গ কাঠামো: যে সকল প্রসঙ্গ কাঠামো পরস্পরের সাপেক্ষে অসম বেগে গতিশীল অর্থাৎ যে সকল প্রসঙ্গ কাঠামোর ত্বরণ থাকে তাদেরকে অজড় প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।
লিফট, রকেট, কৃত্রিম উপগ্রহ, ইত্যাদিকে আমরা প্রসঙ্গ কাঠামো বিবেচনা করতে পারি। কিন্তু এগুলো হবে অজড় কাঠামো, কেননা এগুলো সমবেগে চলে না। এদের ত্বরণ হয়।