পক্ষাঘাত : শরীরের কোন অংশের মাংস পেশির কার্য ক্ষমতা নষ্ট হওয়াকে পক্ষাঘাত বলে। সাধারণত মস্তিষ্কের
কোন অংশের ক্ষতির কারণে ঐ অংশের সংবেদন গ্রহণকারী পেশিগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। আংশিক বা
সম্পূর্ণ প্যারালাইসিস হতে পারে, যাতে শরীরের এক পাশের কোন অঙ্গ বা উভয় পাশের অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।
যেমনÑ দু’হাত ও পায়ের পক্ষাঘাত।
কারণ : সাধারণতঃ মস্তিষ্কের স্ট্রোক এর জন্য হয়। এছাড়া মেরুদন্ড বা ঘাড়ে আঘাত বা দুর্ঘটনাজনিত কারণেও পক্ষাঘাত
হতে পারে। স্নায়ুরোগ, মেরুদন্ডের ক্ষয় ইত্যাদি কারণেও হতে পারে।
এপিলেপসি : এটি মস্তিষ্কের একটি রোগ। এ রোগকে মৃগী রোগও বলা হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর খিঁচুনী বা কাঁপুনি দিতে
থাকে। অনেক সময় রোগী অজ্ঞান হয়। অনেক সময় রোগী হঠাৎ সাময়িকভাবে কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং শরীরে
কাঁপুনি দিতে দিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। কোন কারণে রোগী পানিতে পড়লে নিজ শক্তিতে উঠতে পারে না। ফলে ডুবে
মারা যায়। এ রোগ যে কোনো বয়সে হতে পারে। তবে ৫-২০ বছর বয়সে ব্যাপকতা বেশি দেখা যায়।
কারণ : এপিল্পেসির মূল কারণ এখনও সম্পূর্ণভাবে জানা যায়নি। তবে প্রধান কারণ হলোÑ মস্তিষ্কের অবস্থাগত কারণ,
ইসমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে, মাথায় আঘাতজনিত কারণ, যেমনÑ ম্যানিনজাইটিস, এনসেফালাইটিস, এইড্স, জন্মগত
মস্তিষ্কের বিকৃতি, টিউমার ইত্যাদি।
পারকিনসন রোগ : এ রোগ মস্তিষ্কে এমন এক অবস্থা যাতে হাতে ও পায়ের কাঁপুনী হয় এবং আক্রান্ত রোগী নড়াচড়া,
হাঁটাহাটি করতে অপারগ হয়। এ রোগ সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে হয়।
লক্ষণ : প্রাথমিক অবস্থায় হাত ও পা হালকা কাঁপা অবস্থায় থাকে। অনেকের একটি পা বা পায়ের পাতা নড়াচড়াতে কষ্ট
হয়, চোখের পাতার কাঁপুনি, কোষ্ঠকাঠিন্য, খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া, সোজাসুজি হাঁটায় সমস্যা, মাংস পেশিতে টান পড়া
বা ব্যথা হওয়া, কথা বলার সময় মুখের বাচন ভঙ্গি না আসা বা মুখ অনড় থাকা ইত্যাদি।
কারণ : স্নায়ুকোষ এক ধরনের নির্যাস তৈরি করে নাম ডোপামিন। ডোপামিন পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করে। যখন মস্তিষ্কে
ডোপামিন তৈরির কোষগুলো নষ্ট হয় তখন ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ুকোষগুলো পেশি কোষগুলোকে সংবেদন পাঠাতে পারে
না। ফলে মাংস পেশি কার্যকারিতা হারায়।
প্রতিরোধের উপায় : ডাক্তারের পরামর্শে ঔষধ গ্রহণ, ফিজিওথেরাপি গ্রহণ, পরিমিত খাবার ও সুস্থ জীবন যাপন করার
মাধ্যমে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
প্রথম অধ্যায়: জীবনের পাঠ (Introduction to Life)
0/4
দ্বিতীয় অধ্যায়: জীবকোষ ও টিস্যু (Cell and Tissue)
0/7
তৃতীয় অধ্যায়: কোষ বিভাজন (Cell Division)
0/7
চতুর্থ অধ্যায়: জীবনীশক্তি (Bioenergetics)
0/6
পঞ্চম অধ্যায়: খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক (Food, Nutrition, and Digestion)
0/17
ষষ্ঠ অধ্যায় : জীবে পরিবহণ (Transport in Living Organisms)
0/21
সপ্তম অধ্যায় : গ্যাসীয় বিনিময়
0/12
অষ্টম অধ্যায় : রেচন প্রক্রিয়া
0/12
নবম অধ্যায় : দৃঢ়তা প্রদান ও চলন
0/8
দশম অধ্যায় : সমন্বয়
0/13
একাদশ অধ্যায় : জীবের প্রজনন
0/10
দ্বাদশ অধ্যায় : জীবের বংশগতি ও বিবর্তন
0/11
ত্রয়োদশ অধ্যায়: জীবের পরিবেশ
0/10
চতুর্দশ অধ্যায় :জীবপ্রযুক্তি (Biotechnology)
0/6
About Lesson