Course Content
পঞ্চম অধ্যায়: খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক (Food, Nutrition, and Digestion)
0/17
ষষ্ঠ অধ্যায় : জীবে পরিবহণ (Transport in Living Organisms)
0/21
সপ্তম অধ্যায় : গ্যাসীয় বিনিময়
0/12
অষ্টম অধ্যায় : রেচন প্রক্রিয়া
0/12
দশম অধ্যায় : সমন্বয়
0/13
একাদশ অধ্যায় : জীবের প্রজনন
0/10
দ্বাদশ অধ্যায় : জীবের বংশগতি ও বিবর্তন
0/11
ত্রয়োদশ অধ্যায়: জীবের পরিবেশ
0/10
জীব বিজ্ঞান SSC Online
About Lesson

বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা রক্ষায় জীববৈচিত্র্যের প্রভাব : পরিবেশের সকল উপাদানসমূহ পরস্পরের সাথে
অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। বিপুল সংখ্যক প্রজাতির এ পারস্পরিক সম্পর্কের কারণেই পরিবেশে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত
হয়েছে। পরিবেশের এ উপাদানগুলোর যে কোনো একটি বিশেষ প্রজাতির বিলুপ্তি বিরাট বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। সে
জন্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব অপরিসীম।
পরিবেশের যে সব জীব বা প্রাণীকে এক সময় অপ্রয়োজনীয় মনে করা হত সময়ের বিবর্তনে দেখা গেছে সে সকল জীব
সম্প্রদায়ই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন- একটি পূর্ণ বয়স্ক ব্যাঙ একদিনে তার
ওজনের সম পরিমাণ পোকা-মাকড় খেতে পারে। এ পোকা-মাকড় আমাদের ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। কিন্তু
অধিক উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত কীটনাশকের ফলে এ ব্যাঙ আজ ধ্বংসের পথে। পাখিদের প্রধান খাদ্য হচ্ছে কীটপতঙ্গ।
এর মধ্যে মানুষ ও ফসলের জন্য ক্ষতিকর কীটপতঙ্গই বেশি। তাছাড়া উদ্ভিদের প্রজাতি রক্ষায় পরাগায়নের জন্য পাখি
গুরুত্বত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঈগল, চিল, পেঁচা, বাজপাখিকে আমরা শিকারি প্রজাতি হিসেবে জানি। এরা ইঁদুর খেয়ে
ইঁদুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে। মানুষের বসতবাড়িতে বসবাসকারী একজোড়া ইঁদুর বিনা বাঁধায় বংশ বিস্তার করলে বছর
শেষে ইঁদুরের সংখ্যা দাড়াবে ৮৮০ টিতে। কিন্তু একটি পেঁচা দিনে কমপক্ষে তিনটি ইঁদুর খেয়ে হজম করতে পারে। চিল,
কাক ও শকুন ময়লা পরিস্কারক হিসেবে কাজ করে। আর তা না হলে পৃথিবীতে রোগ জীবাণুর বিস্তার অনেকগুণ বেড়ে
যেত। এ সকল কারণে কোনও জীবকেই অপ্রয়োজনীয় বলা যায় না। পরিবেশ থেকে কোনও প্রজাতি বিলুপ্ত হলে
বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়। তাই বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা রক্ষায় জীববৈচিত্র্যের ভূমিকা অনস্বীকার্য।