রক্তচাপ, বা ব্লাড প্রেশার, শরীরের রক্তের চাপকে উল্লেখ করে। এটি শরীরের বিভিন্ন অংশের সম্প্রেষণের ফলে তৈরি হয়। রক্তচাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণকে উল্লেখ করে, কারণ এটি হৃদয়, শরীরের রক্ত প্রবাহ, এবং অন্যান্য শারীরিক প্রক্রিয়াগুলির জন্য প্রযোজ্য।
রক্তচাপের মাত্রা দুটি হতে পারে: সিসটোলিক এবং ডায়াস্টোলিক।
-
সিসটোলিক রক্তচাপ: এটি হৃদয়ের মাংশপেশীর সংকোচনের সময় রক্তের চাপকে মোটামোটি উল্লেখ করে। এই মাত্রা সাধারিত হতে হয় 120 মিমিমিটার পার্সেন্টাইলে বা তার আসলে সমৃদ্ধিতে থাকতে হয়।
-
ডায়াসটোলিক রক্তচাপ: এটি হৃদয়ের মাংশপেশীর শক্তিশালী হওয়ার সময় রক্তের চাপকে উল্লেখ করে, এবং এই মাত্রা সাধারিত হতে হয় 80 মিমিমিটার পার্সেন্টাইলে বা তার আসলে সমৃদ্ধিতে থাকতে হয়।
রক্তচাপ মাপার একক হলো “মিমিমিটার অব মার্কিউরি” (মিমিহিগ)। রক্তচাপ মাপার সময়ে দুটি মাত্রা একত্রে উল্লেখ করা হয়, উদাহরণস্বরূপ, “120/80 মিমিহিগ” অথবা “120 এবং 80 মিমিহিগ”।
রক্তচাপের নিয়মিত মাপামাপি মূলত একটি সুস্থ শারীরিক অবস্থার প্রতি ইনডিকেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এবং এটি অত্যন্ত বৃদ্ধি অথবা কমনে অবস্থিত থাকতে বা রোগের সঙ্গে সংঘর্ষের চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। স্বাস্থ্যগত স্থিতি বজায় রাখার জন্য, রক্তচাপ নিয়মিতভাবে মনিটর করা গুরুত্বপূর্ণ।
রক্তচাপ স্তরের অধিকতর কারণ হলো উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন, যা কোন সময় হৃদয়ে, দুর্বল শক্তি হৃদয়ের পাঠবিশেষ অংশে চাপ দেয় এবং এটির ফলে শত্রু রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সাথে সাথে, খোকার রক্তচাপ বা লো রক্তচাপও সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। রক্তচাপ নিয়মিতভাবে মনিটর করা ও উচ্চ বা খোকার রক্তচাপের জন্য উপযুক্ত পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।